Home » Apps » Books & Reference » বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ - Shahabuddin Ahmed
বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ - Shahabuddin Ahmed APK icon

বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ - Shahabuddin Ahmed APK

1.2.1 for Android

neoapps

The description of

বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ - Shahabuddin Ahmed 1.2.1 APK

বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ জন্ম ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৩০ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রধান বিচারপতি এবং দু বার দায়িত্বপালনকারী রাষ্ট্রপতি। তিনি প্রথমে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর হতে ১৯৯১ সালের ৯ অক্টোবর পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতি হিসাবে এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতায় থাকা কালীন ১৯৯৬ সালের ২৩ জুলাই থেকে ২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

জন্ম ও পারিবারিক পরিচিতি
বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার পেমই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম তালুকদার রিসাত আহমেদ; তিনি একজন সমাজসেবী ও এলাকায় জনহিতৈষী ব্যক্তি হিসাবে পরিচিত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন আহমেদের স্ত্রীর নাম আনোয়ারা বেগম। তিনি তিনটি কন্যা ও দুটি পুত্র সন্তানের জনক। তাঁর জেষ্ঠ্যা কন্যা ড. মিসেস সিতারা পারভীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। দ্বিতীয়া কন্যা মিসেস সামিনা পারভীন একজন স্থপতি। তাঁর পুত্র শিবলী আহমেদ একজন পরিবেশ প্রকৌশলী। আরেক পুত্র সোহেল আহমেদ কলেজ ছাত্র। সর্বকনিষ্ঠা কন্যা সামিয়া পারভীন চারুকলা কলেজের ছাত্রী।

শিক্ষাজীবন
শাহাবুদ্দিনের শিক্ষা জীবন কাটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখান থেকে তিনি ১৯৫১ সালে অর্থনীতিতে বিএ (অনার্স) এবং ১৯৫২ সালে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৪ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানী সিভিল সার্ভিসের (সিএসপি) প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি প্রথমে লাহোরের সিভিল সার্ভিস একাডেমী এবং পরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে জনপ্রশাসনে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

কর্মজীবন
শাহাবুদ্দিন আহমেদের কর্মজীবনের সূচনা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে। এরপর তিনি গোপালগঞ্জ ও নাটোরের মহকুমা কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি সহকারী জেলা প্রশাসক হিসাবে পদোন্নতি পান। এর পর ১৯৬০ সালে তিনি প্রশাসন হতে বিচার বিভাগে বদলী হন। তিনি ঢাকা ও বরিশালের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হিসাবে এবং কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি ঢাকা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ১৯৭২ সনের ২০ জানুয়ারী তাকে হাইকোর্টের বেঞ্চে তাকে বিচারক হিসেবে উন্নীত করা হয়। ১৯৭৩ ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত তিনি শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারপর তাকে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে ফিরিয়ে আনা হয়। ১৯৮০ সনের ৭ ফেব্রুয়ারী তাকে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ঢাকা ল রিপোর্ট, বাংলাদেশ লিগ্যাল ডিসিসন এবং বাংলাদেশ কেস রিপোর্টসে তার প্রচুরসংখ্যক রায় প্রকাশ করা হয়। চাকুরী সম্পর্কিত, নির্বাচন নিয়ে কলহ, শ্রম ব্যবস্থাপনার সম্পর্ক ইত্যাদি কেসে তার গৃহীত বিচারের রায় বহুল সমাদৃত হয়। বাংলাদেশের সংবিধানের ৮ম সংশোধনী সম্পর্কিত কেসে তার দেয়া রায় যুগান্তকারী এবং বাংলাদেশের সংবিধানের পরিশোধনের পথ উন্মুক্ত করে দেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৮৩ সালের মধ্য ফেব্রুয়ারী পুলিশের গুলিতে বেশ কিছু লোক নিহত এবং অনেক লোক আহত হয়েছিল। বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ ছিলেন সেই ঘটনার তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
শাহাবুদ্দিন আহমেদের রাজনীতিতে আসাটা কিছুটা নাটকীয়। ৫ ডিসেম্বর ১৯৯০, মওদুদ আহমেদ উপ-রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলে তিনি উপ-রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্টিত হন। ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ রাষ্ট্রপতি জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতাচ্যুত হবার পর, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের শূন্য রাষ্ট্রপতির পদে এবং নির্বাচন হবার আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানরূপে কে আসীন হবেন তা নিয়ে বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারছিল না। এক দল অন্য দলের প্রার্থীর প্রতি অনাস্থা পোষণ করছিল। অবশেষে যখন বিচারপতি শাহাবুদ্দিনের নাম এলো তখন দুটি দলই এক মত পোষণ করল যে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন-ই একটি সুষ্ঠ ও সুন্দর এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পারেন। ২৭ ফেব্রুয়ারী ১৯৯১ বাংলাদেশের ৫ম জাতীয় সাধারণ নির্বাচনের পর তিনি আবার তার মূল পদ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে যোগদান করেন।

রাষ্ট্রপতি
১৯৯৬ সালের ২৩ জুলাই তিনি আওয়ামী লীগের দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদে মনোনয়নের পর কোনো প্রতিদন্দ্বিতা ছাড়াই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। যদিও সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা খুবই সীমিত, তিনি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তার সততা এবং প্রজ্ঞা দ্বারা বাংলাদেশের সকল স্তরের মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান জয় করেন। ১৪ই নভেম্বর, ২০০১ খ্রীষ্টাব্দে তিনি রাষ্ট্রপতির পদ হতে অবসর গ্রহণ করেন।

Download বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ - Shahabuddin Ahmed APK v1.2.1. Shahabuddin Ahmed began his career as a magistrate. He Gopalganj. বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ - Shahabuddin Ahmed is posted in Books & Reference category and is developed by neoapps.
The average rating is 0 out of 5 stars on our website. You may also leave your review for বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ - Shahabuddin Ahmed on our website so that our users may have a good idea about the app. If you want to know more about বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ - Shahabuddin Ahmed then you may visit neoapps support center for more information. Average rating of 0 is calculated by taking account of ratings by users.

The app was rated:

This app is downloaded minimum 1 times but the number of downloads might be as high as 5. Download বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ - Shahabuddin Ahmed APK if you need a free app from the Books & Reference category for your device but you will need Android 4.1 and up version or higher to install this app.
This app was posted on Mar 26, 2018 and is available since then on MI9.COM . The current version is 1.2.1 and is now downloaded more than 5 times from our platform. Download APK and open it using your favorite File manager and install by tapping on the file name.
If the installation does not start then you need to enable unknown sources from your Android settings. Some apps like: জাফর ইকবাল সমগ্র, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান - BD Songbidhan, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড .

Category: Books & Reference

Date published: Mar 26, 2018

Current version: 1.2.1

Get it on: Get বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ - Shahabuddin Ahmed for Free on Google Play

Requires android: 4.1 and up

Content rating: Everyone

Similar: বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ - Shahabuddin Ahmed APK

Developer: বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ - Shahabuddin Ahmed APK

Reviews: বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ - Shahabuddin Ahmed APK

0.0
total
5
4
3
2
1